দলের নেতাদের মধ্যে কোনো মোনাফেক আছে কিনা, প্রশ্ন গয়েশ্বরের

নিউজ ডেস্ক: দলের নেতাদের মধ্যে কোনো মোনাফেক আছে কিনা, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে শুক্রবার সন্ধ্যায় এক আলোচনা সভায় তিনি এ প্রশ্ন তুলেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস (৭ নভেম্বর) উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করে বিএনপি।

সভার নির্ধারিত সময় বিকাল ৩টার আগেই নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে উপস্থিত হলেও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি না থাকায় তারা নাট্যমঞ্চের ভেতরে ঢুকতে পারেননি। পরে অনুমতি পেলে বিকাল ৪টার দিকে নেতাকর্মীরা নাট্যমঞ্চ মিলনায়তনে প্রবেশ করেন। সাড়ে ৪টার দিকে সভা শুরু হয়।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সম্প্রতি আমাদের এক সহকর্মীর ৫ বছর জেল হল, তিনি ৭ দিনের মাথায় জামিনে বের হলেন। আর আমার নেত্রীর যখন ৫ বছর জেল হয়, তখন ২ মাসে নকলের কপি পাই না। যখন জামিন চাই, বিচারক বলেন নথি তলব, তার মানে আরও ৩ মাস। এখান থেকে বুঝতে হবে আদালত আদালতের মতো চলে না। আদালত চলে শেখ হাসিনার নির্দেশে। সুতরাং সেই আদালতের ওপর নির্ভর করে আমরা নেত্রীর মুক্তির কথা কেন ভাবব? সে কারণে বলছি, জেলে যেতে হয় যাই, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই যাই। কারণ গণতন্ত্রের অপর নাম খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য আন্দোলন করুন। দেশের মানুষ মুক্তি পাবে। নেত্রী মুক্তি পাবে। আদালত নয়, রাজপথে ফয়সালা হবে খালেদা জিয়ার। যাদের ধৈর্যের বাধ ভেঙে গেছে তারা চলে যাক, তাদের নিয়ে আমাদের সময় কাটানো দরকার নেই। কিন্তু যারা আছি তাদের মধ্যে কোনো মোনাফেকির ভাব আছে কিনা, আমরা সঠিকভাবে রাজপথে নামতে চাই কিনা- আগে দেখে আন্দোলনের ডাক দেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি হবেই।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন- ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, শ্রমিক দলের অনোয়ার হোসেন, যুবদলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির মুন্সি বজলুল বাছিদ আঞ্জু প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, খায়রুল কবীর খোকন, ফজলুল হক মিলন, শিরিন সুলতানা, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুস সালাম আজাদ, সেলিমুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *