Wed. May 27th, 2020

সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন রাসেল সরকার

1 min read
সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন রাসেল সরকার

সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন রাসেল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক : চারদিকে এখন শুধু করোনাভাইরাস আতঙ্ক। বৈশি^ক এই মহামারি ঠেকাতে মরিয়া খোদ বাংলাদেশেও। উন্নত বিশে^ করোনাভাইরাসের কারনে জরুরী অবস্থা থেকে শুরু করে লক ডাউনের ঘটনাও নজির আছে। তবে ওইসব দেশের নাগরিকদের নিত্যপণ্যদ্রব্য যথা সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও হতদরিদ্রদের পাশে থাকার মতো নজির চোখে পরেনি এখনো।

করোনাভাইরাসের কারণে সবচেয়ে বেশি বেশি সমস্যায় পড়েছে দরিদ্র আর অতিদরিদ্র্য শ্রমজীবী পরিবারের মানুষগুলো। যারা দিন আনে দিন খায়। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে যেমন আতঙ্ক ছড়িয়েছে তেমনই বাংলাদেশেও করোনা আক্রান্তের পর দেশের মানুষ উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় দিন পাড় করছে।

তবে করোনাভাইরাস আগাম মোকাবেলায় কর্মহীন হতদরিদ্রদের পাশে সামর্থ্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল। আজ সোমবার দুপুরে নগরীরর দুই শতাধিক অতিদরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের মাঝে এক মাসের চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তুলে দিয়েছেন। গাজীপুরের ভোগড়া এলাকার নিজবাড়ির পাশেই ওইসব মানুষের মধ্যে এক মাসের খাবার তুলে দেন তিনি। করোনা সচেতনতায় লোক সমাগম কমিয়ে এসব খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এদিকে এমন দুঃসময়ে খেটে খাওয়া মানুষগুলো খাবার পেয়ে বেজায় বেশ খুশি। যারা এক মাসের খাবার গ্রহণ করেছেন তারা কেউ বাদাম বিক্রেতা, কেউ চা-পান বিক্রেতা কেউবা বয়োজেষ্ঠ রিকশাচালক। অনেকেই বেকারত্ব জিবন-যাপন করে মানবেতর জীবন পালন করছেন। লক্ষীপুর থেকে আসা প্রতিবন্ধী আশরাফুল ইসলাম বলেন, চৌরাস্তায় বসে বাদাম বিক্রি করে যা পেতাম তাই দিয়ে সংসার চলতো, কিন্তু এখন রাস্তায় কোন লোক নাই বিক্রিও নাই। পরিবারের খাবার নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম, কিন্তু আল্লাহর রহমত হইছে রাসেল সরকার আমাদের এক মাসের খাবার দিয়েছে।
জয়দেবপুর বাজারের পান বিক্রেতা ষাটোর্ধ্ব কালাম বলেন, জন্মের পর এমন অবস্থা কোন সময় দেখি নাই, করোনার কারণে মানুষ সবাই ঘরে ঢুকছে কিন্তু আমাগো পেট তো বন্ধ রাখতে পারি না, খুব চিন্তায় ছিলাম। অন্তত এক মাস খাবার নিয়ে ভাবতে হবে না।

১০ কেজি চাল, আলু ৫ কেজি, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিরতরণ করেছেন। এসব পরিবারে অন্তত আগামী একমাস তাদেরকে তিনবেলা খাবার নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। অনেকেই বলছেন, গাজীপুরের যুবলীগ নেতা শুধু রাসেল সরকারের মতো এই ভাবে প্রতিটি জেলার প্রতিটি শহর এবং গ্রামের যারা বিত্তশালী যারা সচ্ছল তারা সবাই এভাবে দরিদ্র অতি দরিদ্র মানুষদের পাশে এসে দাঁড়ালেই অতিদরিদ্ররা কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন।

কামরুল আহসান সরকার বলেন, যাদেরকে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন তারা হতদরিদ্র। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। করোনা ভাইরাসের পর রাস্তা-ঘাট ফাঁকা হওয়ায় আয়ের উৎস কমেছে। ওই মানুষগুলোর রুজি-রুটি ব্যবস্থা নাই। আমি খুব কাছ থেকে দেখছিলাম, তারা খুব কষ্টে জীবন-যাপন করছেন। আমি আমার সাধ্যমতো পাশে দাড়িয়েছি। দেশের এই ক্রান্তিকালে যাদের সামর্থ্য আছে তারা সবাই যেনো এই দুঃখি মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ায়। বস্তিগুলোতে বসবাসকারীদের লিষ্ট করে তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিৎ বলে মনে করেন তিনি। তাহলে অধিক ঝুঁকি থেকে বস্তিবাসী ও হতদরিদ্ররা মুক্ত থাকবে। আতঙ্ক মুক্ত হবে দেশ।