সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১

রিয়াদ হত্যা ৪ আসামি গ্রেফতার

১ min read

নিউজ ডেস্ক : চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে রিয়াদ হোসেন সাগর (১৬) হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তার চাচার পরিবারের চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রিয়াদের চাচাতো ভাই আসাদুজ্জামান স্বপন, চাচা জজ মিয়া, চাচি সাবিনা আকতার ও চাচাতো বোন তানজিয়া আকতার শিখা।তাদের গ্রেফতার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উত্তরখান থানার ওসি হেলাল উদ্দিন।

সোর্স থেকে খবর পাই, সিলেটের জৈন্তাপুরের একটি বাসায় উঠেছে মামলার প্রধান আসামি স্বপনের পরিবার। খবর পাওয়া মাত্র সেই বাসায় মধ্যরাতে অভিযান চালায় সিলেট পুলিশ। সেখানে তাদের পাওয়া যায়নি। এর পর আমরা আবার তথ্য পাই আসামিরা সব জৈন্তাপুর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছেন। তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ভোরের দিকে সেই হোটেলে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে।

হেলাল উদ্দিন বলেন, এ চার আসামি ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিল। তবে পুলিশের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে তাদের।রিয়াদের খালা হাসনা আকতারসহ এ হত্যাকাণ্ডের আট আসামির মধ্যে প্রধান সন্দেহভাজনসহ এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা গেছে বলে জানান ওসি হেলাল উদ্দিন।বাকি তিন আসামি হলেন আইনুদ্দিন, মো. আমীন ও আফসানা।

ওসি বলেন, গ্রেফতার হওয়া সবাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পলাতক বাকি তিনজনকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এরা সবাই নিহত রিয়াদের আত্মীয়।উত্তরখানের মধ্যপাড়া তালতলা মিয়াবাড়িতে নিজেদের বাসার সামনে ছুরিকাঘাতে আহত হয় রিয়াদ হোসেন সাগর (১৫) ও তার বড় ভাই রিজন (১৮)।ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় চিকিৎসাধীন মারা যায় রিয়াদ। সে স্থানীয় আনোয়ারা মডেল ট্রাস্ট স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল।এ ঘটনায় রিয়াদের চাচাতো ভাই স্বপনসহ আটজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন রিয়াদের বাবা মো. রাজু মিয়া।তাদের প্রথমে টঙ্গী হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। রিয়াদ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১১টায় চিকিৎসাধীন মারা যায়। ঘটনার দিন রিয়াদের ঘাতক ও তার চাচাতো ভাই আসাদুজ্জামান স্বপনকে (২৮) আটকের পরও উত্তরখান থানার এসআই ইশতিয়াক হোসেন ছেড়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন রিয়াদের স্বজনরা।

রাজু মিয়া অভিযোগ করে বলেছিলেন, উত্তরখান থানার এসআই ইশতিয়াক হোসেন আসাদুজ্জামান স্বপনকে রাতে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেন। কেন ছেড়ে দিলেন, জানতে চাইলে তিনি আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এসআই ঘাতকের পক্ষ নিয়ে আমাদের গালাগালও করেন। রিয়াদের মামা মোমেন হোসেনও একই অভিযোগ করেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে উত্তরখান থানার এসআই ইশতিয়াক হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন ও এসএমএস করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি, এসএমএসের উত্তরও দেননি। সেই প্রধান সন্দেহভাজন ঘাতককে তিন আসামিসহ জৈন্তাপুর থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *