সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১

রায় মানি না, কেয়ামতের মাঠে দেখা হবে বলে আসামির চিৎকার

১ min read

নিউজ ডেস্ক : মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ ১৬ আসামিরই মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এই টাকা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় শোনার পর ‘নুসরাত হত্যা মামলার রায় মানি না, কেয়ামতের মাঠে দেখা হবে’ বলে আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে বিলাপ করতে থাকেন ফেনীর সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও মামলার আট নম্বর আসামি প্রভাষক আফছার উদ্দিন।

আফছার উদ্দিন অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। কান্না করতে করতে চিৎকার করে তিনি বলেন, মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়েছে, আত্মহত্যাকে হত্যা বলে দণ্ড দেয়া হয়েছে। এ রায় মানি না। মাঠে দেখা হবে।

এ সময় নুসরাতের ভাই নোমানকে হুমকিও দেন আসামি আবদুল কাদের।

ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ বেলা সোয়া ১১টার দিকে সব আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

প্রধান আসামি অধ্যক্ষ সিরাজসহ ১৬ খুনির সবার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা অন্যরা হলেন- নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আবদুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আবদুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সহসভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।

৩০ মে মামলাটি ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ১০ জুন আদালত মামলাটি আমলে নিলে শুনানি শুরু হয়। ২০ জুন অভিযুক্ত ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বিচারিক আদালত।

২৭ ও ৩০ জুন মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান নোমানকে জেরার মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়। এরপর ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৮৭ জন সাক্ষ্য দেন আদালতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *