আগস্ট ৫, ২০২১

ভাঙ্গুড়ায় ভিজিডি কার্ডের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

১ min read
ভাঙ্গুড়ায় ভিজিডি কার্ডের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভাঙ্গুড়ায় ভিজিডি কার্ডের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মিনু রহমান খান, ভাঙ্গুড়া(প্রতিনিধি) : পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভিজিডি কার্ডধারীদের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান মনির বিরুদ্ধে।

রবিবার (১৪ফেব্রয়ারি) উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে প্রায় শতধিক দুস্থ,অসহায় ভিজিডি কার্ডধারী মহিলারা তাদের সঞ্চয়ের মোট টাকা ফেরত পাবার দাবিতে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভ কারিদের দাবি,প্রতি মাসে ৩ শত টাকা করে ২৪ মাস সঞ্চয় জমা দিয়েছি। আমরা আমাদের জমানো টাকার সম্পুর্ণ ফেরত চাই। গরীবের টাকা আত্মসাৎ করা চলবে না।

সরেজমিকে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় শতধিক দুস্থ,অসহায় ভিজিডি কার্ডধারী মহিলারা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করছে। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার বাধাদেয় এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দেয়। বড়বিসাকোল গ্রামের মকুল প্রামানিকের স্ত্রী মোছাঃ কাজলী, জিন্নাত আলীর স্ত্রী কামরুন্নাহার,জোকা গ্রামের আলমের স্ত্রী মোমতা খাতুন,গদাই রুপশি গ্রামের ইনতাজ সরকারের স্ত্রী মিনাসহ একাধিন কার্ডধারী বলেন,আমরা অসহায় ,আমাদের জমানো টাকা কম দিচ্ছে।

আমাদের সঞ্চয়ের বইও মনি নিয়ে নিয়েছে। আমরা প্রতি মাসে ৩শ টাকা করে দিয়েছি ২ বছর অথচ বইতে লিখেছে ২শ৭৫ টাকা। আবার কয়েক মাস বইতেও তোলে নাই শুনছি। আমাদের কষ্টের টাকা পুরোটাই ফেরৎ চাই।

জানা গেছে, এই প্রকল্পের আওতায় অষ্টমনিষা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে ৩‘শ ৫৫ জন দুস্থ,অসহায় ও সক্ষম মহিলাকে প্রতি মাসে বিনামূল্যে ৩০ কেজি করে চাউল দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত এনজিও মানব কল্যাণ সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে প্রতিমাসে উপকার ভোগীদের চাউল দেওয়ার আগে ৩শত টাকা করে গ্রহণ করেন। কিন্তু এই এনজিও-র ব্যক্তিরা সরাসরি সুফরভোগীদের নিকট থেকে টাকা গ্রহণ না করে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা মো. মরিুজ্জামান মনির মাধ্যমে গ্রহণ করতেন।

নিয়মানুযায়ী ভিজিডি কার্ডধারীরা সঞ্চয়ের টাকা লাভসহ ফেরত পাবার কথা রয়েছে। কিন্তু লাভতো দুরের কথা নিজের সঞ্চয়কৃত সম্পূর্ণ টাকা ফেরৎ পাচ্ছে না।

ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের মনিরুজ্জামান মনি বলেন। ভিজিডি কার্ডধারীরা প্রতিমাসে ৩০০ টাকা করে দিয়েছে যা সঞ্চয় বহিতে ২৭৫ টাকা জমা করা হয়েছে এবং গাড়ি ভাড়া বাবদ ২৫ টাকা খরচ নেওয়া হয়েছে তাই ২৫টাকা জমা করা হয়নাই।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের হিসাবরক্ষক কাম- কামকম্পিউটার অপারেটর উত্তম কুমার কুন্ডু বলেন, ভিজিডি খাদ্য শস্য পরিহনের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত প্রতি মে.টনে দুরত্ব আনুযায়ি পরিহন খরচ বহন করে থাকে।

অষ্টমনিষা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আয়নুল হক বলেন, ভিজিডি কার্ডধারীদের নিকট হতে পরিবহন খরচের জন্য প্রতিমাসে ২৫ টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ও সহকারি কমিশনার(ভুমি) মো. কাওছার হাবিব বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *