সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১

বুয়েট আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণে বসেছে শিক্ষার্থীরা

১ min read

নিউজ ডেস্ক: নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে আবরার হত্যার প্রতিবাদে মাঠে নামা আন্দোলনকারীদের। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়ায় আন্দোলনকারীরা কী ধরনের কৌশল নির্ধারণ করবে তা দেখার জন্য অপেক্ষা করছে গোটা জাতি। জানা যায়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার হত্যার প্রতিবাদে চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে কি-না, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এ বিষয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানান, বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আমাদের ঘোষণা অনুযায়ী আন্দোলন ১৩ ও ১৪ অক্টোবর দুইদিন স্থগিত রাখা হয়। সোমবার রাতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে বসার কথা থাকলেও ভর্তি পরীক্ষার জন্য আমাদের অনেকে একত্রিত হওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে মঙ্গলবার সকালে বসার কথা রয়েছে।

তারা বলেন, সকালে সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হলে আলোচনা করা হবে। সেখানে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে, না কি আল্টিমেটাম দিয়ে তা স্থগিত রাখা হবে সেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

আলোচনার সিদ্ধান্ত দুপুরে সাংবাদিকদের জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনে সমন্বয়কারীদের একজন ইসমাইল হোসেন তাজ।

তিনি বলেন, গতকাল রাতে আন্দোলনের বিষয়ে বৈঠকের কথা থাকলেও ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নানা ব্যস্ততায় সেটি সম্ভব হয়নি। আজ সকালে আমাদের বৈঠক হবে। সেখান থেকে আন্দোলনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

তবে কিছু শিক্ষার্থী মনে করছেন, তাদের অধিকাংশ দাবি বাস্তবায়নের পথে। ইতোমধ্যে কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে। যার কারণে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত হবে না।

এদিকে গতকাল ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন আন্দোলনকারীরা। সোমবার বুয়েটের শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে গত শনিবার দুই দিনের জন্য আন্দোলন শিথিল করে শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয় ভর্তি পরীক্ষা। প্রথম দফায় সকাল ৯টা থেকে তিন ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা হয়। পরে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হয় দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা।

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আন্দোলনের প্রভাব পরীক্ষায় পড়েনি। আবেদনকারীদের ৯০ শতাংশই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *