সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১

ফরিদপুরে হত্যা মামলার রায়ে ৭ জনের ফাঁসির আদেশ

১ min read

নিউজ ডেস্ক: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পিকআপ ড্রাইভার কেরামত হাওলাদার (৩৫) হত্যা মামলার রায়ে ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সেলিম মিয়া ৭ আসামির মধ্যে ৫ জনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় রায়ে আসামিদের ৭ জনকেই মৃত্যুদণ্ড প্রদান ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- তোফা মোল্যা (২৬), পিতা মৃত আব্দুল মোল্যা; পলাশ ফকির (৩২), পিতা আব্দুল মান্নান ফকির; সিদ্দিক খালাসি (৩৬) পিতা সামছুল হক খালাসি; এরশাদ মাতুব্বর (৩২) পিতা আব্দুল মালেক মাতুব্বর; সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ (২৭) পিতা মৃত মোসলেম; নাইম মাতুব্বর (৩৫), পিতা মৃত আব্দুল মালেক মাতুব্বর এবং আনু মোল্যা ওরফে আনোয়ার মোল্যা (২৮), পিতা গিয়াস উদ্দিন মোল্যা। তাদের সবার বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা গ্রামে। এর মধ্যে নাইম মাতুব্বর ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল পলাতক রয়েছেন।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) দুলাল চন্দ্র সরকার জানান, ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ভাঙ্গা উপজেলার উত্তর লোহারদিয়া গ্রামের পিকআপ চালক কেরামত হাওলাদার নিখোঁজ হন। পরদিন ভোরে পার্শ্ববর্তী ছলিলদিয়া দিঘলকান্দা বিলের ভেতর থেকে কেরামতের গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর নিহতের ভাই ইকরাম হাওলাদার বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন। এরপর পুলিশ মোবাইল ফোনের কললিষ্টের সূত্র ধরে তোফা মোল্লাকে আটক করলে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেয়া তথ্যানুযায়ী বাকি আসামিদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।

মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বৃহস্পতিবার আসামিদের ৭ জনকেই মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *