সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১

প্রতি আটজন নারী-পুরুষের দুইজন হাড়ক্ষয়ে আক্রান্ত

১ min read

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বে ৫০ এর উর্ধ্বে বয়স এমন প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন এবং প্রতি পাঁচজন পুরুষের মধ্যে একজন অস্টিওপরোসিস বা হাড়ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হন। ওয়েস্টার্ন দেশগুলোর থেকে বাংলাদেশে অস্টিওপরোসিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম হলেও ভবিষ্যতে দেশে এর হার বাড়তে পারে।
রাজধানীর শাহবাগে বারডেম হাসপাতালে রোববার ‘বিশ্ব অস্টিওপরোসিস দিবস’ উপলক্ষ্যে চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি (বিইএস) আয়োজনে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ সব তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় বক্তব্য দেন বারডেম হাসপাতালের মহাপরিচালক (ডিজি) প্রফেসর জাফর এ লতিফ, বিইএস’র সভাপতি প্রফেসর মো. ফারুক পাঠান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মো. হাফিজুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রফেসর এসএম আশরাফুজ্জামান, প্রফেসর এমএ হাসনাত, ডা. এমএ সামাদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদন উপ¯’াপন করেন ডা. আহমেদ সালাম মীর, ডা. ইন্দ্রজিত প্রসাদ, ডা. এম সাইফুদ্দিন।
প্রফেসর জাফর এ লতিফ বলেন, অস্টিওপরোসিসের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত গাইড লাইনের। বাংলাদেশের জনসংখ্যা অনুসারে ক্যাটাগরির ভিত্তিতে গাইড লাইন তৈরি করতে হবে।
প্রফেসর মো. ফারুক পাঠান বলেন, অস্টিওপরোসিসে আক্রান্ত রোগীর হার দিন দিন বাড়ছে। যদিও ওয়েস্টার্ন দেশগুলোর তুলনায় এশিয়া মহাদেশ তথা বাংলাদেশে এর হার কম হলেও ভবিষ্যতে দেশে এর হার বাড়তে পারে। নারীরা মূলত বেশি অস্টিওপরোসিসে আক্রান্ত হলেও পুরুষদের সংখ্যাও কম নয়। অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে পর্যাপ্ত নিউট্রিশন যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য খাবারের তালিকায় ফল ও দুধ রাখতে হবে এবং প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট বাহিরে ব্যায়াম করতে হবে।
প্রফেসর মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এটি একটি প্রিভেন্টেবল ডিজিজ। সাধারণত নারীদের ক্ষেত্রে ৫০ বছরের পর এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ৬০ বছরের পর হাড়ক্ষয় রোগ ভোগান্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। তবে যে কোন বয়সের মানুষেরই ‘পিক বোন ম্যাশে’ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে বিশেষ করে পরিবারের শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে অস্টিওপরোসিস বেশি ধরা পড়ে। তাই তাদের দিকে বেশি খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য পরিবারের সদস্যরা যাতে ভিটামিন-ডি ও ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার পর্যপ্ত খান সেদিকে জোর দিতে হবে। বিশ্বে ৫০ এর উর্ধ্বে বয়স এমন প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন এবং প্রতি পাঁচজন পুরুষের মধ্যে একজন অস্টিওপরোসিস বা হাড়ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *