সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

পাহাড়ের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১ min read

নিউজ ডেস্ক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে যারা অযথা রক্তপাতের ঘটনা ঘটাচ্ছে, সামনে তাদের জন্য ভয়ঙ্কর দিন আসছে। যারা এ অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, হত্যা, গুম করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে, খুব দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।তিনি বলেন, এ দুষ্কৃতকারীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। তাদের বিচারের মুখোমুখী করা হবে। যারা এগুলো করাচ্ছে, তাদেরও বিচারের মুখোমুখী করানো হবে। যে কোনো মূল্যে পার্বত্য অঞ্চলে রক্তপাত বন্ধ করা হবে। শান্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন- হঠাৎ পার্বত্য চট্টগ্রামে রক্তপাত কেন? প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ অঞ্চলে কীভাবে রক্তপাত বন্ধ করা যায়, তা শুনতে এসেছি।অনেকের বক্তব্য শোনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে যা ঘটছে, তা শুনলাম। এখানে কাউকে হত্যা করলে তা থামানো যাচ্ছে না। ভয়ে মামলা করার সাহস পান না কেউ। সাক্ষীও হতে চান না শুনেছি। ফেসবুক ব্যবহারের মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম হচ্ছে, তাও শুনলাম। পার্বত্য অঞ্চল বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে থাকবে, অশান্ত থাকেব, মানুষ অশান্তিতে থাকবে- আমরা তা চাই না। এ অবস্থা চলতে দেয়া যায় না। যে কোনো মূল্যে এ অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনব। তিনি বলেন, কাউকে আর আতঙ্কে থাকতে হবে না। কাউকে চাঁদা দিতে হবে না। এখানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় করতে দেয়া হবে না- আমরা জানতে চাই, সেটা কার স্বার্থে। এই এলাকার মানুষ জিম্মি হয়ে গেছে- আমরা তার পরিত্রাণ চাই।তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সব ধরনের সন্ত্রাস নির্মূল করা হবে। যে কোনো মূল্যে এ এলাকায় শান্তির সুবাতাস ফিরিয়ে আনা হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করব। খুব অল্প দিনের মধ্যেই পরবর্তী পদক্ষেপ আসবে। সভায় তিন পার্বত্য জেলার উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, হেডম্যান, কারবারিসহ নারী প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *