সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১

নুসরাতের সহপাঠী ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কামরুন নাহার মনির নবজাতকের কী হবে?

নিউজ ডেস্ক : মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ ১৬ আসামিরই ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।একইসঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এই টাকা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে অন্যতম নুসরাতের সহপাঠী কামরুন নাহার মনি। হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তার সর্বোচ্চ সাজা হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা থাকায় অবস্থায়ই কিলিং মিশনে অংশ নেন তিনি। কারারুদ্ধ মনি গত ২১ অক্টোবর জন্ম দেন কন্যাসন্তানের। এখন তার সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহজাহান সাজু বলেন, মাননীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছেন সে রায়টি কার্যকর হতে আরও দীর্ঘ সময় লাগবে। কারণ আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করবেন, পেপারবুক তৈরি হবে এবং এটা আপিল বিভাগে যাবে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ফুল কোর্টে শুনানি হবে।এলাকাবাসী বলছেন, উচ্চ আদালতে মনির দণ্ড লাঘব হলেও এ শিশুটি ভবিষ্যতে মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত হবেন। কারণ এ হত্যা মিশনে কামরুন নাহার মনির যে ন্যাক্কারজনক ভূমিকা পালন করেছেন তার সাজা তাকে ভোগ করতেই হবে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কীভাবে তিনি সহপাঠীকে হত্যার মতো ঘৃণ্যকাণ্ডে তিনি যুক্ত হলেন সেটি নিয়ে হতবিহ্বল তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *