সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১

ঢাকা-বাকু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সম্মত

১ min read

নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলাদেশ ও আজারবাইজান দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম এলিয়েভের মধ্যে শনিবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

‘দুই নেতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং আজারবাইজানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গভীর করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন’, আজারবাইজানের দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আল্লামা সিদ্দিকি এখানকার প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

প্রায় আধ ঘণ্টার বেশি সময়কাল ধরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘দুই নেতা বাংলাদেশ এবং আজারবাইজানের মধ্যকার ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের বিষয়ে আলোচনা করেন।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ হিসেবে আজারবাইজানের সহযোগিতার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। এ সময় ১৯৯২ সালে নতুন দেশ হিসেবে আজারবাইজানের প্রতি বাংলাদেশের সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন প্রেসিডেন্ট এলিয়েভ। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ইস্যুতে নৈতিক এবং বৈষয়িক সহযোগিতা প্রদানের জন্য আজারবাইজানের প্রতি ধন্যবাদ জানান। দুই নেতাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে আজারবাইজানে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রটি আরও প্রসারিত হবে।

বাংলাদেশের কৃষি খাতের চমকপ্রদ সাফল্যের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো ও এ সময় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এলিয়েভ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এত বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে এলিয়েভ তা সাদরে গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে আজারবাইজানে বাংলাদেশের একটি অফিস খোলার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং সাংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ১৮ তম ন্যাম সম্মেলনে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে আজারবাইজানে রয়েছেন।

হেবরনে বঙ্গবন্ধুর নামে সড়ক হবে: ফিলিস্তিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ফিলিস্তিন তাদের হেবরন শহরের একটি সড়ক বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালকি শনিবার ১৮ তম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাকু কংগ্রেস সেন্টারে দ্বিপক্ষীয় বুথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন। তিনি এই সড়কের নামফলক উন্মোচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান।

সাক্ষাৎ শেষে পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের অনুরোধ জানান। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ফিলিস্তিন ইস্যু উত্থাপনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *