সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গাসহ নিহত ২

১ min read

নিউজ ডেস্ক: পাহাড়কে অস্থির করার জন্য সক্রিয় রয়েছে সন্ত্রাসীরা। বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছে মাফিয়া গ্রুপগুলো। এমন অভিযোগ বরাবরই ছিল। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একের পর এক অভিযান অব্যাহত রেখেছে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর বিপক্ষে। জানা যায়, কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্ত্রাসী গ্রুপের দুইজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন রোহিঙ্গাও রয়েছেন।

শনিবার ভোররাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের পর্যটন বাজারের উত্তরে মালির পাহাড়ের পাদদেশে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, নিহতরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিয়ার ঘোনা এলাকার হাজী হামিদ হোসেনের ছেলে আহাম্মদ হোসেন (৪৫) ও নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি ব্লকের মৃত কালা মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান (৪৬)।

আহতরা হলেন- টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের এসআই মো. বাবুল , এএসআই অহিদ ও কনস্টেবল মালেকুল।

টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, শুক্রবার রাতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও ৬টি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি আহমদ হোসেন ও আব্দুর রহমানকে গ্রেফতার করে। তাদেরকে থানায় নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারের জন্য টেকনাফ সদর ইউনিয়নের পর্যটন বাজারের উত্তরে মালির পাহাড়ের পাদদেশে যায় পুলিশ। সেখানে পৌঁছামাত্র সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে।

তিনি আরও বলেন, এতে পুলিশের তিন সদস্য গুলিবিদ্ধ হলে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয়ের গোলাগুলিতে আসামি আহাম্মদ হোসেন ও আব্দুর রহমান গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে টেকনাফ সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার প্রেরণ করেন। সেখানে পৌঁছালে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি এলজি চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পৃথক মামলা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *