সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১

জিএস পরিবহন নামে একটি বাস থেকে বস্তাভর্তি প্রায় ৪০ কেজি মা ইলিশ আটক করেছে স্থানীয় জনগণ

১ min read

নিউজ ডেস্ক : চাঁদপুর মহাসড়কের ভেদরগঞ্জ এলাকায় জিএস পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে বস্তাভর্তি প্রায় ৪০ কেজি মা ইলিশ আটক করেছে স্থানীয় জনগণ।
রাত ৯টার দিকে ডিএমখালী ইউনিয়নের কাশিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় ওই বাস ও স্টাফদের প্রায় ১ ঘণ্টা আটকে রাখে উত্তেজিত শত শত সাধারণ জনতা। আটককৃত মাছগুলো চাঁদপুর জেলার নরসিংহপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন মাদারীপুর নেয়ার জন্য তুলে দেন বলে জানিয়েছেন বাসের সুপারভাইজার সোহেল মিয়া।

এদিকে ঘটনার পর পরই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে নৌ-পুলিশ চাঁদপুর জোন। শুক্রবার বিষয়টি তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে আসেন নৌ-পুলিশের এএসপি ইসমাইল হোসেন।

জিএস পরিবহনের সুপারভাইজার সোহেল মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে আসে জিএস পরিবহনের বাসটি। বাসটি চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরিঘাট পারাপারকালে ফেরীটি মেঘনা নদীর মাঝখানে আসলে স্পিডবোটযোগে এসে মাছগুলো মাদারীপুরে নেয়ার জন্য বাসে তুলে দেন নরসিংহপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন। এ সময় সুপারভাইজার মাছ নিতে অপরাগতা জানালেও ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন জোরপূর্বক মাছ তুলে দেন বলে অভিযোগ করেন সোহেল।

স্থানীয় মেম্বার শরফুদ্দিন ঢালী ও অন্যান্যরা বলেন, মা ইলিশ বহনকারী জিএস পরিবহনের বাসটি কাশিমপুর এলাকায় আসলে স্থানীয় জনগণ বাসটি গতিরোধ করে। এ সময় বাসের স্টাফরা জানায় মাছগুলো নরসিংহপুর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার গিয়াসউদ্দিনের। পরে যাত্রীবাহী বাস হওয়ায় মাছগুলো এতিমখানায় বিতরণ করে বাসটি ছেড়ে দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুস সামাদ।

তবে নরসিংহপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন বলেন, মাছগুলো আমার না। অন্য কোনো ব্যক্তি বাঁচার জন্য হয়তো আমার নাম বলেছে। আমি মাছের বিষয়ে কিছুই জানি না।

এ বিষয়ে নৌ-পুলিশ চাঁদপুর জোনের পুলিশ সুপার জমশের আলী বলেন, বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *