আগস্ট ৫, ২০২১

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পুলিশসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পুলিশসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পুলিশসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কে এম, রাশেদ কামাল, মাদারীপুর : মাদারীপুরে ক্রয়ফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পুলিশের ২ সদস্য সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন সুজন শেখ (২৮) নামে এক ব্যবসায়ী।

আজ (১৮ ফেব্রুয়ারি) বুধবার দুপুরে মাদারীপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাদায়ের করা হয়। মামলার অভিযুক্ত আসামীরা হচ্ছেন শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মাহাবুব (৪৫), কনস্টেবল সোহাগ (৩৫) এবং সূর্যনগর বাজারের টুম্পা টেলিকম এন্ড মোবাইল কর্ণারের মালিক টোকন বেপারী (৪৫)।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদী সুজন শেখ ও সাক্ষী পলাশ মিয়া শিবচর উপজেলার পদ্মা বহুমুখী সেতু দেখে ফেরার পথে শিবচর উপজেলার হাইওয়ে এক্সপেস সংলগ্ন সূর্যনগর বাসস্ট্যান্ডে চা খাওয়ার জন্য মোটর সাইকেল পার্কিং করলে সাদা পোশাকে এএসআই মাহাবুব ও কনস্টেবল সোহাগ ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন বাদীর নিকট মোটর সাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চান।

তারা কাগজপত্র দেখালে তাদের কাগজপত্র ভুয়া এবং তারা মোটর সাইকেল চুরি করে নিয়ে এসেছে এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে এবং রাস্তার অপর প্রান্তে নিয়ে যায়। পুলিশ সদস্যরা বাদীকে ক্রয়ফায়ারের ভয় দেখাইয়া ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরবর্তীতে মামলার আসামীরা বিভিন্ন বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে বাদীর নিকট থেকে ১ লাখ ১০ হাজার ৩২০ আদায় করে।

মামলার বাদী সুজন শেখ বলেন, ‘আমি সূর্যনগর বাসস্ট্যান্ডে চা খাওয়ার জন্য মোটর সাইকেল পার্কিং করার পর, সাদা পোশাকে এএসআই মাহাবুব ও কনস্টেবল সোহাগ ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন আমার কাছে আইয়া মোটর সাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চায়।

আমি কাগজ দেহাইছি, কিন্তু পুলিশ কয় যে আমার কাগজ পত্র সব ভূয়া। এই কথা কইয়া আমারে মাইর শুরু করে। এরপর কয় ৫ লাখ টাকা দিবি, নইলে তোরে ক্রোসফায়ার দিমু। এর পরে তারা আমার বিকাশের দোকানে আইয়া মোবাইল থেকে টাকা টেনেসফার কইরা নেয় এএসআই মাহাবুব ও কনস্টেবল সোহাগ।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ এ বিষয়ে আমরা এখনও কোনো অফিশিয়ালি চিঠি বা কোন অভিযোগ পাইনি। তবে এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশ পুলিশের কোন সদস্য যদি কোন ফৌজদারি অপরাধের সাথে জড়িত থাকে অথবা কোনো দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকে, সেজন্য বিভাগ কোন দায়িত্ব নেবে না। এটা তার ব্যক্তিগত দায়, এটা তাঁকে ব্যক্তিগতভাবেই ফেইস করতে হবে।

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *