জুলাই ৩১, ২০২১

কুয়াকাটা সৈকতে এবার বালু দিয়ে তৈরি করা হলো ভাস্কর্য

১ min read
কুয়াকাটা সৈকতে এবার বালু দিয়ে তৈরি করা হলো ভাস্কর্য

কুয়াকাটা সৈকতে এবার বালু দিয়ে তৈরি করা হলো ভাস্কর্য

মহিপুর (কুয়াকাটা ) : পর্যটন নগরী কুয়াকাটা সৈকতে এবার বালু দিয়ে তৈরি করা হলো ভাস্কর্য। বালু দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলাদেশে মানচিত্র যার মধ্যখানে বঙ্গবন্ধুর ভার্স্কযের আকৃতি।

এক পাশে ভাষা আন্দোলনে মিছিল ও ৬ দফা দাবি আদায়ের দৃশ্য। আরেক পাশে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট। বালু দিয়ে লেখা হয়েছে, রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি- আমার সোনার বাংলা- জয় বাংলা- আমার মায়ের ভাষা- রাষ্ট ভাষা বাংলা চাই।

পটুয়াখালী জেলা পুলিশের উদ্দ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, জাতীয় শিশুদিবস এবং জন্মশতবর্ষ উৎযাপনের লক্ষ্যে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে ১০০ গজ পূব দিকের সৈকতে নির্মিত হয়েছে এ ‘বালু ভাস্কর্য।

খুলনা ও রজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগরে ৬ শিক্ষার্থী মঙ্গলবার ৯ মার্চ থেকে এই ভাস্কযের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। সৈকতে ভাস্কর্য তৈরীর কাজ দেখতে পযটক ও দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন।

ভাস্কর্য নির্মাতাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ ও ৮ ফুট প্রশস্ত থাকছে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য সহ ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। ১৭ মার্চ এই বালু ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হবে। দিন-রাত বিরামহীন-পুরোদমে কাজ করছেন তারা।

কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটক সাবরিনা জামান বলেন, প্রায়ই এখানে আসা হয়। এবারে এসে দেখলাম সৈকতে বালু দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মান করা হচ্ছে। এটা খুব ভাল লেগেছে। এ থেকে নতুন প্রজন্ম অনেক কিছুই জানাতে পারবে। সৈকতে আসা দর্শনার্থীরা এই ভাস্কর্য দেখে আনন্দিত হবে। এ ভাস্কর্য স্থায়ীভাবে হলে অরো ভাল হত বলে তিনি জানিয়েছেন।

সাংবাদিক আনোয়ার হোসে আনু বলেন, সৈকতে তৈরি ভাস্কর্যর মধ্যে ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়াও ভাস্কর্য বঙ্গবন্ধুর ছবি তৈরি করায় পর্যটকসহ স্থানীয় শিক্ষার্থীরা দেখে উপলব্দি করবে। এরফলে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে সবাই।

ভাস্কর্য নির্মাতা দলের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী সানি কুমার দাস নিলয় বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে রাজশাহী ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষার্থী দিন-রাত মিলে এ ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ করছি।

এ ভাস্কযে বঙ্গবন্ধুকে কেন্দ্র করে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬ দফা, ৭১’র বিজয় পযর্ন্ত বাংলাদেশের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। ভাস্কর্য নির্মাতা দলের প্রধান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা অনুষদের আরেক শিক্ষার্থী অনুপম কর বলেন, ৬জন শিক্ষার্থী মঙ্গলবার থেকে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে এ কাজটি করেছি। সঠিক সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে।

এবিষয় পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পিপিএম বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ১৭ মার্চ এ ভাস্কযর্টি অনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে এবং আগামী ২৬ মার্চ পযর্ন্ত পর্যটকসহ স্থানীয়দের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *