আগস্ট ৫, ২০২১

ই-কমার্স সূচকে ১২ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

১ min read

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : করোনাকালীন সময়ে দেশের ই-কমার্স খাতে বৈপ্লবিক অগ্রগতি হয়েছে বলেই শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থার (আঙ্কটাড) প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে হাতাশাজনক চিত্র। ২০২০ সালের বি টু সি (ক্রেতার কাছে সরাসরি বিক্রয়) ই-কমার্স সূচকে বাংলাদেশ পিছিয়েছে ১২ ধাপ। এমনকি বাংলাদেশের ওপরে উঠে এসেছে উগান্ডা, নেপাল, ভুটানের মতো দেশও।

২০১৯ সালে ১০৩ র‌্যাঙ্কিংয়ে থাকা বাংলাদেশের ২০২০ সালের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১১৫তে। ২০১৯ সালের তুলনায় সূচক কমেছে ৫ দশমিক ৮ পয়েন্ট। মোট চারটি উপসূচকের ভিত্তিতে এই সূচক প্রণয়ন করা হয়েছে। সেগুলো হলো- জনসংখ্যার কত অংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, ই-কমার্স সাইটে অ্যাকাউন্টধারীর সংখ্যা, ইন্টারনেট সার্ভারের নির্ভরযোগ্যতা, সরবরাহের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যতা। তাতে বাংলাদেশের অর্জিত পয়েন্ট ৩৩ দশমিক ৩। এই সূচকের শীর্ষ দেশ সুইজারল্যান্ডের অর্জিত পয়েন্ট ৯৫ দশমিক ৯।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে বিশ্বের ১৫০ কোটি মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করতেন। ২০১৮ সালের সাপেক্ষে সংখ্যাটা বেড়েছে ৭ শতাংশ। তবে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে মানুষের অনলাইনে কেনাকাটার প্রবণতা কম। সার্বিকভাবে ২০১৯ সালে বিশ্বের ২৩ শতাংশ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেছেন। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে যেখানে অর্ধেক মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন, সেখানে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে সেই সংখ্যাটা মাত্র ২ শতাংশ।

নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে সেই সংখ্যাটা ৫ শতাংশ এবং উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে সেটা ১৬ শতাংশ। তবে প্রতিবছর অনলাইনে কেনাকাটা করা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তবে এই সূচক প্রণয়নে একেক দেশের ক্ষেত্রে একেক বছরের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন- বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কত মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন বা জনসংখ্যার কত অংশ কেনাকাটা করে থাকে, সেই তথ্যের ভিত্তি ২০১৭ সাল। দেখা যায়, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটা করেন এবং মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *