রেলের ১০ খাতে দুর্নীতির উৎস পেয়েছে দুদক


জবাবদিহি রিপোর্ট : রেলের ১০টি খাতে দুর্নীতির উৎস খুঁজে পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। সকালে রেলভবনে এসব দুর্নীতির ক্ষেত্র ও সুপারিশমালা সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন রেলমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয় দুদক। এসময় দুদকের প্রতিবেদন অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন রেলমন্ত্রী।

দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির খাত অনুসন্ধান ও তা দূর করতে সুপারিশমালা প্রণয়নে কাজ করছে দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩তম প্রতিষ্ঠান হিসেব, মঙ্গলবার (০২ জুলাই) রেলভবনে যান দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

রেলে মালামাল ক্রয়, জমি অধিগ্রহণ, টিকিট কালোবাজারি, জমির ইজারাসহ ১০টি সেক্টরে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে দুদক। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের হাতে রেলের দুর্নীতির প্রতিবেদন তুলে দেন দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, এখন থেকে দুদকের নজরদারিতে থাকবে রেল।

দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হক বলেন, এই কাগজটি দিয়েই আমরা ক্ষান্ত না। কিছুদিন পরে আবার এটাকে আমরা মূল্যায়ন করবো। এটা পর্যায়ক্রমে চলবে। এটা অনেকেই মনে করবে পরামর্শমূলক, কিন্তু আমরা যেটা পরামর্শমূলক দেব সেটাও আমাদের প্রতিরোধমূলক কাজের একটা অংশ।

রেলের দুর্নীতি স্বীকার করে রেলমন্ত্রী বলেন, রেল পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হবে।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, দুর্নীতি কোথায় নাই? রেলে নিশ্চয়ই দুর্নীতি আছে, এজন্যই পরামর্শ এসেছে। কিন্তু এখন ভবিষ্যতে যেন দুর্নীতি না হতে পারে সেটার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।

রেলের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যাতে স্বচ্ছতার সাথে শেষ হয় সে ব্যাপারে রেল মন্ত্রণালয়কে আরো আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দুদক।

0 30

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আজকের সংবাদ শিরোনাম :
%d bloggers like this: