বিয়ের নামে প্রতারিত হচ্ছেন পাকিস্তানের খ্রিস্টান নারীরা


জবাবদিহি ডেস্ক : পাকিস্তানে বিয়ের নামে প্রতারিত হচ্ছেন সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নারীরা। আর এ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে চীনা পুরুষদের বিরুদ্ধে। দুদেশের দালালদের মাধ্যমে এ প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছেন তারা। আর মোটা অর্থের বিনিময়ে এ কাছে সাহায্য করছেন দেশটির গির্জার পাদ্রীরাও।

২০ কোটি মানুষের দেশ পাকিস্তানে প্রায় ২৫ লাখ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর বসবাস। সম্প্রতি বিয়ের নামে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন দেশটির খ্রিস্টান নারীরা।

চীনে পুরুষের অনুপাতে নারী কম। তাই বিয়ের জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে নেয়া হয়, মেয়েদের। এতে প্রায়ই ছলচাতুরির আশ্রয় নেয়, দালালরা। এমনকি চীনা পুরুষদের ধর্মীয় পরিচয়ও গোপন করে তারা। পাকিস্তানের পাঞ্জাবের অনেক খ্রিস্টান নারীই এর শিকার।

চীনা পুরুষদের বিত্তশালী দাবি করে, মেয়ের বাবা-মার হাতে কয়েক হাজার ডলার ধরিয়ে দেয় দালালরা। তবে সে অর্থের পুরোটাই চলে যায় বিয়ের আয়োজনে।

পাত্রী খুঁজতে পাকিস্তানি দালালদের সাথে যোগাযোগ করে চীনা দালালরা। কখনও কখনও দ্বারস্থ হয় গির্জারও। মোটা অর্থের বিনিময়ে তাদের সহায়তা করেন পাদ্রীরা। পাত্র পক্ষের কাছ থেকে চীনা দালালরা ৩০-৩৫ লাখ রুপি নিলেও পাকিস্তানি দালালরা পায় ২-৩ লাখ রুপি।

নিজেদের খ্রিস্টান দাবি করা এই চীনা নাগরিকদের সাথে খ্রিস্ট ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। তাই এ বিয়েগুলো অস্বাভাবিক এবং এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই। আমি এ ধরনের বিয়েকে মানব পাচারই মনে করি।

অভিযোগ আছে, যাচাই-বাছাই ছাড়াই চীনা এই বধূদের ভিসা দিচ্ছে পাকিস্তানে থাকা দেশটির দূতাবাস। যদিও এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীন।

0 30

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
আজকের সংবাদ শিরোনাম :
%d bloggers like this: